সাহিত্যিকা

সূচিপত্র সাহিত্যিকা ৫৭ তম সংখ্যা (August 2026)

সূচিপত্র সাহিত্যিকা ৫৭ তম সংখ্যা (August 2026)
বিই কলেজ, বেসু, আইআইইএসটি’র একমাত্র মাসিক সাহিত্য পত্রিকা

প্রচ্ছদ এঁকেছেন সোহম দাশগুপ্ত, ১৯৭৭ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

সূচিপত্র
২২-শে শ্রাবণ
বর্ষা বন্দনা – একা ঝরো ঝরো বারি ধারে
© বন্দনা মিত্র, ১৯৮৬ মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
সত্যজিতের সঙ্গীত (চতুর্থ পর্ব)
© সুকান্ত রায়, ১৯৭৭ ইলেকট্রনিকস ও টেলি কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
From Rubble to Resolve:
An Indian Delegate’s Experience in Post-Taliban Afghanistan
© Amitava Datta, 1974 Civil Engineering
I Thought, But Could Not …..
© Shruti Goswami, 2004 Architecture & Planning.
আতিথেয়তা
© হিমাংশু পাল, ১৯৯০ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনলজি
Sibdas Chakrabarti OBE – an Engineer, Husband, Father, and Friend
© By Dr Hirak Sen, Across Seven Seas and Thirteen Rivers
চাকরীজীবনের কিছু টক মিষ্টি স্মৃতি
© শ্যামা প্রাসাদ সরকার, ১৯৬৯ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
ভূতের গল্প
© দীপঙ্কর রায়, ১৯৮০ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
সব কাল্পনিক
© শঙ্খ কর ভৌমিক, ১৯৯৭ মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং
এ্যান্টারটিকা অভিযানে দুই বিক্কলেজিয়ান (সপ্তম পর্ব)
© দীপ্ত প্রতিম মল্লিক, ১৯৮০ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
আমার কিছু কবিতা
© রামু দত্ত, ১৯৭৮, ইলেকট্রনিকস ও টেলি কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং
আমাদের প্রাক্তনীদের লেখা বই
ম্যাপেল পাতার দেশে
© দীপঙ্কর রায়, ১৯৮০ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
বিদায় স্যার গ্যারি!
News Around:
Compiled By: Asim Deb, 1977 Electronics & Tele-Communication Engineering
সত্যদাস স্মরণে’
সুদীপ রায়, ১৯৭০ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
অজয় দেবনাথ, ১৯৭০ ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

*******

Sahityika Admin

3 comments

  • News Around: “সাহিত্যিকার” — একটি অভিনব সংযোজন

    “সাহিত্যিকার”-এর এই সংখ্যায় অনিল মেননের জীবন, কর্ম ও কৃতিত্বের পরিচয় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং অনুপ্রেরণাদায়ক। পাশাপাশি, মহীয়সী নারী ক্যাপ্টেন শিবা চৌহানের সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও দৃঢ়তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও তুলে ধরা হয়েছে।

    বিভিন্ন বিষয়ের ওপর অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডের খবরও এই সংখ্যাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আশা করি, পরবর্তী সংখ্যাগুলিতেও এমন আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ, বৈচিত্র্যময় ও অনুপ্রেরণাদায়ক খবর ও প্রতিবেদন আমরা পড়তে পাব।

    পড়তে থাকুন, লিখতে থাকুন। “সাহিত্যিকা”-র পথচলা আরও সমৃদ্ধ ও সাফল্যমণ্ডিত হোক।

  • দূর প্রবাসে অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণেই বাংলার মাটির সাথে আমাদের যোগাযোগ কম। কর্মসূত্রের চাপে দু বছর তিন বছরে একবার যাই, দিনগুলি যেন বড্ড তাড়াতাড়ি শেষও হয়ে যায়।
    তাই সাহিত্যিকা পত্রিকাটি পেয়ে প্রতি মাসে অনেকটাই যেন বাংলার মাঝে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাই। এবং দ্বিধাহীন হয়ে বলতে পারি যে এই পত্রিকার মান যথেষ্ঠ উন্নত।
    এগিয়ে চলুক সকলের সাহিত্যিকা। সর্বাঙ্গীণ শুভেচ্ছা রইলো, ও উদ্যোক্তাদের জন্য অসংখ্য সাধুবাদ।

  • ৫৭ মাস বয়স এই পত্রিকাটির। প্রকাশনার বাজারে অপেশাদার অথচ ৫৭ টি সংখ্যা প্রকাশ করায় বাহবা তো দিতেই হয়। এবং পত্রিকার মান যথেষ্ঠ উন্নত।
    আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কী এই ধরনের মাসিক সাহিত্য পত্রিকা আছে? না। আমরা এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছি।
    এই পত্রিকা থাকবে, এগিয়ে চলবে।