সাহিত্যিকা

আমি দুর্গারাণী বড়াল – তোমাদের সকলের মাসীমা

আজ ২০২৬ সালের ১লা অক্টোবর বি ই কলেজ আশ্রমের মাতৃস্বরূপা শ্রীমতি দুর্গারাণী বড়ালের ৯৯ পেড়িয়ে ১০০ তম যাত্রা শুরু হলো।
উনার নিজের একটি স্মৃতিচারণ এখানে পুনঃপ্রকাশ করলাম।

বি ই কলেজে যারা ৬০ আর ৭০ এর দশকের ছাত্রছাত্রী ছিলেন, তাঁরা প্রবাদপ্রতিম শিক্ষক ডঃ শঙ্কর সেবক বড়ালকে চিরকাল মনে রাখবেন। তেমনি আমাদের আশ্রমিক পরিবেশে মাতৃস্বরূপা শ্রীমতি দুর্গারাণী বড়ালকেও সকলে মনে রেখেছেন। এই পরিবারটি ছিল আমাদের অভিভাবক। দুয়ার ছিল সর্বদাই উন্মুক্ত। দুই দশকের বহু ছাত্রছাত্রী আমরা এই পরিবারকে সর্বদাই শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

*********

আমি দুর্গারাণী বড়াল – তোমাদের সকলের মাসীমা।
আমি তোমাদের প্রিয় মাস্টারমশাই ডক্টর শঙ্কর সেবক বড়ালের স্ত্রী। আশির দশক অবধি বিই কলেজের পাশ করা ছাত্র ছাত্রীদের অনেকেই আমাকে চিনবে। আমি তোমাদের অনেকের মাসীমা।

একটা ছেলে, তোমাদের স্যারের ছাত্র, আর সেই সূত্রে আমাদের বাড়ির সকলের সাথে প্রায় পঞ্চাশ বছরের পরিচিত, সেই কবে থেকে আমাকে অনুরোধ করে যাচ্ছে, সেইসময়কার একটা লেখা দিতে হবে। লেখা দিতেই হবে, কিছুতেই সে আমায় ছাড়ে না। ছেলেটাকে বলেছি, আরে আমার লেখার দৌড় ঐ আত্মীয়স্বজনকে চিঠি লেখা, ব্যাস এই পর্যন্ত। স্কুলে নদী, বর্ষাকাল, এসব নিয়ে রচনা লিখেছি, কিন্তু তাঁর জন্য পাঠ্যবই ছিলো। তাই বলে নিজের কথা লিখবো, আর এই বয়সে?

আমার জন্ম ১৯২৭ সালের ১লা অক্টোবর দূর্গা ষষ্ঠীর দিন রাত দশটার সময় বিহারের ডালটনগঞ্জ শহরে। আজ এত দীর্ঘজীবনের অনেক কিছুই যেমন মনে আছে, তেমনি অনেক কিছুই আর মনে নেই।
ছেলেটা তবু ছাড়ে না, তাই তোমাদের জন্য একটা লিখেই দিলাম।

প্রথমে আমার মা বাবাকে নিয়ে কিছু লিখি।
আমার মা সারদামনির জন্ম হয়েছিলো বিহারে ডালটনগন্জে। আমার দাদুর নাম ভুবন মোহন বড়াল, উনি পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ছাত্র ছিলেন. শিবপুর বিই কলেজে ছ’মাস পড়েছিলেন জমির মাপজোক (সার্ভেইং) ইত্যাদি বিষয়ে। তখন বি ই কলেজের ক্লাস প্রেসিডেন্সি কলেজে হতো।

আমার বাবা কেদারনাথ দত্ত প্রথমে হুগলির মল্লিকবাড়ির স্কুলে পড়াশোনা করে ম্যাট্রিক পাশ করেন। তারপর তিনি হুগলি মহসিন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট, আর তারপরে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ফিলজফি অনার্স নিয়ে বিএ ও তারপর আইন পাশ করেন। আইন পড়ার সময় তাঁর সহপাঠি ছিলেন বাবু রাজেন্দ্রপ্রসাদ, যিনি পরবর্তী সময়ে স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।

এগারো বছর বয়সে আমার মায়ের বিবাহ হয় হুগলির কেদারনাথ দত্তের সাথে। তখন তাঁর বয়স আঠারো বছর। আঠার বছর বয়সে আই এ পাশ করার পর ল পাশ করার পর এক বছর হুগলির কোর্টে প্রাকটিস করেন। এরপর কলকাতার হাইকোর্টে এসে প্রাকটিস করেন। ১৯০৫ সালে প্রথম ট্রেন চালু হলে তিনি ডালটনগঞ্জ আসেন। তাঁর বড়মামা স্বর্গীয় আশুতোষ বড়াল ওকালতি করার জন্যই তাঁকে কলকাতা থেকে ডালটনগঞ্জ নিয়ে আসেন।

সেই সময়ের ডালটনগঞ্জ ছিলো জঙ্গল ও পাহাড় ঘেরা এক ছোট্ট শহর, যার তিনদিক ঘিরে ছিল কোয়েল নদী। যে সময়ের কথা বলছি, তখন মোটরগাড়ি খুবই কম ছিল। ওকালতি কাজের সুবিধার জন্য ডালটনগঞ্জ এসে কিছুদিন তিনি আমার মামার বাড়িতে ছিলেন। ১৯১৪ সালে বাবা প্রথমে একতলা বাড়ি করেন। পরবর্তীকালে আমার দাদা দোতলা ও তিনতলা বানান। একশ আট বছরের সেই পুরানো বাড়ি আজও অটুট আছে। বরাবরই ডালটনগঞ্জে গ্রীষ্মকালে জলের সমস্যা থাকে। তাই সেইসময় কুয়ো বানিয়ে রাখা হয়। আজও সেই কুয়োর জল ব্যবহার করা হচ্ছে।

যখন বাড়ি কেনা হয়, একতলায় ছিলো মায়ের ঘর, মেজদার ঘর, আর ছিলো এক ছোট বারান্দা। মা নিজে খুব পরিশ্রমী ছিলেন। আর কোনরকম অপচয় পছন্দ করতেন না। আমার দাদা ছিলেন মায়ের ডান হাত। বাড়ির যতো কাজ, মায়ের যা যা প্রয়োজন সব দাদাই দেখতেন। আর বাবা ব্যাস্ত থাকতেন বাইরের কাজে। ছেলে আর মেয়েদের আমার মা কখনই আলাদা চোখে দেখতেন না। বাড়ির বৌমারাও তাঁর নিজের মেয়ের মতোই ছিলেন। মেয়ে, বৌ এই দুইএর তফাত কখনো তিনি করেন নি। লক্ষ্মীপূজো, দুর্গাপুজোর দিনে মেয়ে, বৌ সবার জন্য একই রকমের শাড়ি কেনা হতো। রংটাই আলাদা। সবাই একসাথে মহাষ্টমীর অঞ্জলি দিতে যেতেন। পুজোর সেই ক’দিন মা অনেকের জন্য অনেকরকম রান্নার ব্যবস্থা করতেন। অষ্টমীর পূজো হতো আমাদের বাড়িতে। মা পুজোর পর বারোজন ব্রাহ্মণকে খাওয়াতেন, দক্ষিণা দিতেন। বাড়ির অঞ্জলির পর দূর্গাবাড়িতে পূজার অঞ্জলি দিতে যাওয়া হতো। এই দিনের পূজোর সকল উপাচার, নৈবিদ্য বড় বারকোষে সাজিয়ে কাজের লোকের হাতে মা দূর্গাবাড়িতে পাঠিয়ে দিতেন।

সেই ডাল্টনগঞ্জের ছোটবেলাটা আমাদের খুব আনন্দের সাথেই কেটেছে। পাঁচ দাদা, চার বৌদি, পাঁচ দিদি, ভাইপো, ভাইঝি সবাই মিলে একসাথে আমরা খুব আনন্দের সাথে কাটিয়েছি। আজ শুধু আমরা দুই বোন আছি। আমি ও আমার দিদি।

********

মা, বাবাকে নিয়ে আমার সামান্য স্মৃতিকথা লিখে রাখলাম। এবার নিজের কিছু কথা বলি। আগেই বলেছি, আমার জন্ম ১৯২৭ সালের ১লা অক্টোবর দূর্গা ষষ্ঠীর দিন বিহারের ডালটনগঞ্জ শহরে।

আমি যে স্কুলে ভর্তি হই, তার নাম ছিলো “বাংলা স্কুল”, আর এই স্কুলে আমার দিদিমাও পড়েছেন। বাংলা স্কুল একটাই ছিল। আর পাঁচ ছটা হিন্দী স্কুল ছিল। আমার দাদু সেই সব স্কুলের চেয়ারম্যান ছিলেন।

আমার বিয়ে হয় ১৯৪৮ সালের ২৮শে মে। তখন আমার বয়স উনিশ, আর তোমাদের মাস্টারমশাই বড়াল স্যারের বয়স ২৯ (জন্ম ১৯১৯ সালের ১৫ই অক্টোবর)। উনি ১৯৩৯ সালে বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে বিএসসি (ফিজিক্স অনার্স) করে তারপর ১৯৪১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্সে এমএসসি করেন। তখনকার দিনে ফরাসি আমলে সার্তিফিকা পরীক্ষায় পাশ করলে কলেজ অবধি ফ্রী তে পড়াশোনা করা যেতো। আমার স্বামী ওই পরীক্ষায় প্রথম হন। তাই কলেজে পড়ার সময় কোন খরচ লাগে নি।

বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক ডক্টর মেঘনাদ সাহা ও ডক্টর হৃষিকেষ রক্ষিতের ডাকে উনি কলকাতার রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে জয়েন করেন। আয়নোস্ফিয়ার (ionosphere using radio pulse echo technique) এর উপর উনি রিসার্চ করতেন। কাজের চাপে সবদিন চন্দননগর ফিরতেও পারতেন না। অনেক সময়ই রাত জেগে কলেজের ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে হতো। তখন বাড়িতে না এসে সায়েন্স কলেজের ল্যাবরেটরিতেই রাত্রে থেকে যেতেন, আর নিজেই রান্না করে খেতেন। সেই সময় রেডিওতে একটা অনুষ্ঠান পপুলার সায়েন্স এর উপর অনেক বক্তব্য রেখেছেন। লেকচার দেবার আগে সেটা লিখে নিতেন, আর তারপর সবসময়ই আমাকে পড়ে মতামত দিতে বলতেন। আমি আমার মতামত দিলে বলতেন “দাঁড়াও আগে ঘসে মেজে শেষ করি। তারপর দ্যাখো”। সত্যিই শেষ হলে দেখা যেতো যে লেখাটা খুবই মনোগ্রাহী হয়েছে।

উনি ১৯৫৫-৫৬ সালে বি ই কলেজে ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের প্রধান হয়ে যোগদান করেন। তখন থেকেই বিই কলেজের সাথে আমার আত্মিক যোগাযোগ। বিই কলেজ জয়েন করার পর সায়েন্স কলেজ উনি ছেড়ে দেন। তবে যখনই সায়েন্স কলেজ থেকে লেকচার, রিসার্চ বা কোন দরকারে ডাক এসেছে, তখনই সাড়া দিয়েছেন। বিই কলেজে এসে উনিই ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের প্রতিষ্ঠা করেন। আমার প্রিয় এই বিই কলেজ ক্যাম্পাসে আসার পর থেকেই চারিদিকের সবুজের মাঝে শিক্ষক ও ছাত্রদের নিয়ে এত সুন্দর এক আশ্রমিক পরিবেশে আমাদের দিনগুলো সত্যি খুবই ভালো কেটেছিল। সেই দিনগুলির কথা কিছুতেই ভুলতে পারি না।

পড়াশুনার বিষয়ে তোমাদের স্যারের গভীর আকর্ষন ছিলো। খুবই নিবিষ্ট মনে লেখাপড়া করতেন। অন্য কোনদিকে তখন মন থাকতো না। শ্বাশুডিমায়ের কাছে শুনেছি একবার হারিকেন জ্বেলে পড়ার সময় হারিকেন থেকে বিছানায় আগুন ধরে যায়, কিন্ত উনি পড়ায় এতটাই মগ্ন ছিলেন যে পাশেই আগুন ধরে গেছে সেটাও বুঝতেই পারেন নি। এইরকম নিবিষ্ট মনে পড়া আমি বিই কলেজেও দেখেছি।

আমি বিহারের ডাল্টনগঞ্জে বড় হয়েছি, বাংলার অনেক কিছুই জানতাম না, কিন্ত উনি কখনো আমাকে অবজ্ঞা করেন নি, বুঝিয়েই বলতেন। টাকাপয়সা যা রোজগার করতেন আমাকে দিয়ে আলমারিতে তুলে রাখতে বলতেন। নিজে একবারও খুলতেন না। দরকার হলে আমাকেই আলমারি খুলে বের করে দিতে হতো। উনি রান্না জনতেন। তাই আমি অসুস্থ হলে, বা ছুটির দিনে নিজেই রান্না করে ছেলেমেয়েদের খাওয়াতেন। তাঁদের জন্মদিনে বই, পেন উপহার দিতেন। নিজে পড়াশোনায় খুব ভাল ছিলেন, অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। সংসারের ভালোমন্দ সবকিছুর সাথে মানিয়ে চলতেন। ফলস্বরূপ আজ আমাদের ছেলেমেয়েরা যে যার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত।

একটা ঘটনা মনে আছে। সময়টা সঠিক মনে করতে পারছি না, (বলেছি না? এই বয়সে সব সঠিক মনে পড়ে না), মনে হয় ৭৯-৮০-৮১ সাল নাগাদ। ছেলেদের পরীক্ষার সময় হঠাত কি একটা ব্যাপারে সেই মেসের স্ট্রাইক হয়। তখন তোমাদের ইলেকট্রনিকস বিভাগের সকলে আমার বাড়িতে এসে দিনকয়েক খাওয়াদাওয়া করেছিলো। স্যার ওঁদের বারণ করে দিয়েছিলেন যেন বাইরের হোটেলের খাওয়া না খায়। আর আমি একলাই সেই রান্না করেছিলাম। আরেকটি ঘটনা, এটা মনে হয় ‘৬৫ সাল নাগাদ হবে। পরীক্ষার সময় ইলেকট্রনিকস বিভাগের একটি ছেলের শরীর খারাপ হয়ে কলেজের হসপিটালে গিয়ে ভর্তি হয়। স্যার খবর পেয়ে ওঁকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। ছেলেটি আমাদের বাড়িতে থেকেই দু’তিনটে পরীক্ষা দিয়েছিলো।

ক্যাম্পাসে যেহেতু বয়সে আমি অনেকের বড় ছিলাম, তাই অতিরিক্ত দায়িত্বও ছিলো। সেগুলো পালন করে আনন্দও পেতাম। যেমন চিত্রা (প্রফেসর অরুণ শীলের স্ত্রী) ছেলেমেয়েদের শরীরের একটু এদিক ওদিক হলেই ঘাবড়ে যেতো। সামান্য ব্যাপার, তাও ঘাবড়ে যেতো। আমি অনেকবার গিয়ে সামাল দিয়ে এসেছি। আর ছিলো শ্যমলী, প্রফেসর যাদব চক্রবর্তীর স্ত্রী। এছাড়া ছোট ছোট বাচ্চাদের ফরমায়েসি সোয়েটার বোনা তো ছিলোই। খুব আনন্দের ছিলো সেই দিনগুলো।

স্যার বিই কলেজ থেকে রিটায়ার করার পর আমরা চন্দননগরের পৈতৃক ভিটেয় ফিরে আসি। আবার নতুন করে আমার শ্বশুরবাড়ির সবার সাথে মেশার সুযোগ হয় আর আনন্দেই দিনগুলো কেটে যায়। তখন তোমাদের স্যারের কাছে অনেকেই পড়তে আসতো। বিনা পয়সায় উনি সবাইকেই পড়াতেন। আর সবাইকেই কিছু একটা করে দেখাতে বলতেন। কারোর রেজাল্ট ভাল হলে খুব খুশি হতেন। জীবনে এগিয়ে যেতে, প্রতিষ্ঠিত হতেও অনেককে নানানভাবে সাহায্য করেছেন। এভাবেই উনি সারাজীবন সকল ছাত্রছাত্রীদের শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে উঠেছিলেন।

চিরকালটা উনি খুব সাদামাটা জীবন যাপন করেছেন। অভ্যাসের মধ্যে রোজ ভোরবেলা হাঁটতে যেতেন। ভগবানে বিশ্বাস করতেন, রোজ গীতাপাঠ করে পূজো করতেন। তুবড়ি বানাতে ভালবাসতেন। কালীপূজার সময় ক্যাম্পাসের ছেলেমেয়েদের নিয়ে সকলে মিলে তুবড়ি বানাতেন। তুবড়ির মালমশলা নিজেই কিনে আনতেন।

তোমাদের স্যার স্কুলকলেজে অনেক প্রাইজ, বই, মেডেল পেয়েছেন। অনেক সোনার ও রুপোর মেডেল পেয়েছেন। সেই সব আমার নাতিনাতনিদের দিয়ে দিয়েছি। বলেছি যত্ন করে রাখতে। এমনিতে একদমই রাগ ছিলো না, তবে মেয়ে বাণীকে যখন ডাক্তারী পড়তে দিলাম না, তখন উনি আমার ওপর খুবই রেগে গিয়েছিলেন। পরে তো বাণী, আর দেবু দুজনেই তো বিনা চিকিৎসায় রামকৃষ্ণলোকে চলে গেলো। রমুও চলে গেলো। আর উনিও শেষ সময় বলতে গেলে কোন চিকিৎসাই পান নি।

বেঁচে থাকলে আমি শীঘ্রই শতায়ু হবো। আমার বাপের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ির অনেকেই অনন্ত ধামে চলে গেছেন। সবার আত্মার শান্তি কামনা করি।
আর তোমরাও সবাই সুস্থ সবল, নীরোগ ও আনন্দ নিয়ে থেকো। সকলের মঙ্গলকামনা করি ও আশীর্বাদ জানাই।

– তোমাদের মাসীমা দুর্গারাণী বড়াল

********

Sahityika Admin

Add comment