আমার দেখা চন্দন দাশগুপ্ত (১৯৬৯ মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং)
© ঝঙ্কার বসু, ১৯৬৯ মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং
৬০এর দশকের মাঝামাঝি, এক সহস্রাধিক তারুণ্যে ভরপুর ছেলেমেয়েদের ঘরের ঠিকানা ছিল বিই কলেজের ক্যাম্পাস। খেলার মাঠ হোক, বা ক্যান্টিন, বা হস্টেলের কমন রুম বা দলবেঁধে সিনেমা বা কলকাতার খেলার মাঠে, রবিঠাকুরের ভাষায় সবারই যেন “প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে, ভয়-ভাবনার বাধা টুটেছে। হেথায় কারো ঠাঁই হবে না, মনে ছিল এই ভাবনা, দুয়ার ভেঙে সবাই জুটেছে”। তখন আমাদের কৈশোর, কিছু দিন বাদেই প্রাপ্তবয়স্ক তকমা পেয়ে যাবো। আর এখন ছয় দশক বাদে আমরা সবই বার্ধক্যের সরণিতে। কয়েকজন আমাদের ছেড়ে চিরশান্তির দেশে চলেও গেছে। কিন্তু, ছয় দশক পরেও সেই সময়ের ব্যতিক্রমী কয়েকজনকে এখনও ভুলতে পারিনা, তাঁরা আমার কাছে উজ্জ্বল হয়ে আছে। এই রকম একজন ব্যতিক্রমী চন্দন দাশগুপ্ত, যার কথা এখানে লিখতে বসেছি।
স্মৃতির সরণিপথে সবার আগে আমার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাচের দুই সেকশনের গ্রুপ ফটো দিলাম।


‘চন্দন চির শান্তির দেশে চলে গেছে’, খবরটা পেলাম ২০২১ সালের ২০ ডিসেম্বর দুপুরবেলা। কিছুদিন হাঁসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল, কিন্তু আর দেখা হবেনা তা যেন মানতে পারছিলাম না। বিগত সাতান্ন বছরে আমাদের অনেক জায়গায় দেখা হয়েছিল। কলেজের দিনগুলি থেকে শুরু করে এরপর বিভিন্ন ঘটনা, বিভিন্ন কথা এতই মনে গেঁথে আছে যে স্মৃতিচারণ করতে গেলে অনেক কথা, অনেক ঘটনা চোখের সামনে ভেসে উঠছে।

নয়ন ছেড়ে গেলে চলে, এলে সকল-মাঝে–
তোমায় আমি হারাই যদি তুমি হারাও না যে ॥
তোমার সুধারসের ধারা গহনপথে এসে
ব্যথারে মোর মধুর করি নয়নে যায় ভেসে।
শ্রবণে মোর নব নব শুনিয়েছিলে যে সুর তব
বীণা থেকে বিদায় নিল, চিত্তে আমার বাজে ॥
১৯৬৪ সালে, মানে ৬০ বছর আগে চন্দনকে প্রথম দেখি ডাউনিং হস্টেলের ডাইনিং হলে। মুর্শিদাবাদ জেলার কৃতী ছাত্র। যতদূর মনে পড়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মুর্শিদাবাদ জেলয় অনেক নম্বর পেয়ে সে প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান পেয়েছিল। এরপর পাঁচ বছর ওকে ক্লাসরুম ছাড়া এর বাইরেও নিয়মিত দেখেছি হস্টেলে, খেলার মাঠে, ক্যান্টিনে, বোটানিকাল গার্ডেনে, আরও অনেক জায়গায়। আমাদের ব্যাচের সাড়ে চারশো ছেলেমেয়ের মাঝে চন্দনের ব্যাক্তিত্ব, মৃদু হাস্যমুখ ও বুদ্ধিদীপ্ত কথা সকলকেই আকর্ষণ করত। হস্টেলের আড্ডায় চন্দনের কথা ও ছোট ছোট টিপ্পনি (অভিধানের বাইরে গিয়ে আমরা বলি পুড়কি) সবাইকে মাতিয়ে রাখত, সময় কোথা দিয়ে যে কেটে যেত বোঝাই যেত না।
হস্টেলের পড়ার টেবিল থেকে কলেজের ওভাল মাঠেই ওঁকে বেশী দেখতাম। ফুটবল ও হকিতে চন্দনের সহজাত খেলা সেই সময়ের বিই কলেজের সকলেরই মনে আছে। কলেজের বাইরে যেখানে খেলতে গেছে সেখানেও যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিল। প্রসঙ্গত বলি, চন্দনকে কলকাতার প্রথম ডিভিসনের এক ক্লাব ওদের ক্লাবে হকি খেলার জন্য প্রস্তাব দেয়। আমি সেই আমলের কথা বলছি যখন ভারতে হকির স্বর্ণযুগ আর কয়েকজন অলিম্পিয়ান কলকাতা ময়দানের নিয়মিত খেলোয়ার। কিন্তু খেলা ছিল চন্দনের কাছে শখের, পাঠ্যক্রম-বহির্ভূত (Extra Curricular)। পড়াশোনার ক্ষতি হবে বলে চন্দন সেই প্রস্তাব গ্রহন করতে পারে নি।
খেলা ছিল ওর সহজাত ক্ষমতা, সে হস্টেলের ক্যারাম, টেবিল টেনিস বা তাস খেলাতেও আমরা দেখেছি। কিন্তু পরীক্ষার আগের কয়েক মাস পড়াশোনার ব্যপারে ওর কোনও ঘাটতি দেখিনি। আবার এতকিছুর মাঝে গীটার, মাউথ অর্গান বাজানোটাও ছিল ওর একটা শখ। কোনও রকম প্রথাগত শিক্ষা ছাড়াই ওর গীটার বা মাউথ অর্গান আমাদের আড্ডা জমিয়ে রাখত। হস্টেলের সেসব দিনের স্মৃতি এখনও অমলিন।
চন্দনের সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা অবশ্য কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরেই বেশী। মনে পড়ে, কলেজের দিনগুলোয় সপ্তাহের শেষে, শনিবার সন্ধ্যায় ও রবিবার সকালে বা ছুটির দিনগুলোয় অশোকের (গুঁইন) বাড়ির কাছে গড়িয়াহাটের ‘রস্কো’ রেস্টোরেন্টের আড্ডাগুলো জমে যেত চন্দনের ইয়ার্কি, ঠাট্টা বা ছোট ছোট টিপ্পনিতে। শুধু আড্ডা জমিয়ে রাখার জন্য নয় অন্য যে কোনও প্রয়ো্জনেও ওর সাহায্য ছিল অপরিহার্য। আমার বাড়ি একটু দূরে হবার জন্য এই আড্ডায় আমার অনিয়মিত অনুপস্থিতিও ক্রমে ক্রমে বেড়ে গেল। কলেজ ছাড়ার পরে সবাই ক্রমশঃ নিজেদের কাজে ব্যস্ততার মাঝে ছুটির দিনগুলোয় এই আড্ডাগুলোই ছিল নতুন কর্মজীবনের শুরুর দিনে আমাদের টনিক।
ট্রেনিং শেষ করে চন্দন দমদমে এক ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থায় যোগ দেয় ও অল্প সময়ের মধ্যে সেখানে অপরিহার্য হয়ে ওঠে। আবার খেলাধুলার সুবাদে সে অল্প সময়ের মধ্যেই কারখানার কর্মচারীদের মধ্যে প্রিয় হয়ে ওঠে। একদিন ঐ অফিসের সাথে অন্য অফিসের ফুটবল খেলায় চন্দন খেলার ইচ্ছা জানায়। কিন্তু ব্যাথা লেগে যেতে পারে ভেবে কর্মচারীরা চন্দনকে খেলাতে রাজি হয়না। কাছেই ছিল আমাদের অন্য এক বন্ধু গৌতমের কারখানা, সে এসে চন্দনের ফুটবল খেলার দক্ষতার কথা কর্মচারীদের জানালে অনিচ্ছাস্বত্ত্বেও তাঁরা রাজি হয়। আর চন্দনের খেলা দেখার পরে কর্মচারিদের মধ্যে ও অত্যন্ত প্রিয় হয়ে ওঠে।
কিছুদিন পর চন্দনের সাথে অফিসের মালিকের কিছু ব্যাপারে মতের অমিল হয়, ও চাকরী ছেড়ে দেয়। চন্দন এক ব্যবসা আরম্ভ করে। এই সময় নক্সাল আন্দোলনের জন্য আমার এম.ই.র ক্লাস প্রায় এক বছর বন্ধ ছিল। সেই অবসরে আমি চন্দনের সাথে অনেকটা সময় একসাথে কাটিয়েছি। দেখেছিলাম সব কিছুই সে নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা করে। চন্দন মেশিনের চাবি তৈরী করার এক অর্ডার পায়। নিজের কোনও কারখানা না থাকায় অন্য কারখানার সাহায্য নিয়ে শেষ পর্যন্ত অর্ডার অনুযায়ী সেই চাবি নিখুঁত ভাবে তৈরী করে। কাস্টমার খুশি হয়ে আরও অর্ডার দেওয়ার জন্য চন্দনের খোঁজ করে। কিন্তু, কোনও কারণে চন্দনের ব্যবসার উৎসাহ ততদিনে শেষ হয়ে গেছে।
এরপর চন্দন অটো ইন্ডিয়া ও টেকালিমিট নামে দুটো সংস্থার ডিজাইন ডিপার্টপেন্টে কাজ করেছিল। এই সংস্থাগুলো ফিল্টার ও হাইড্রোলিক সিস্টেম তৈরি করত। টেকালিমিট বন্ধ হয়ে গেলে চন্দন এক কোলিগের সাথে ব্যবসা শুরু করে। আমি কোলকাতার বাইরে থাকার জন্য নিয়মিত যোগাযোগ হতো না। তবে যখনই আমি কোলকাতায় আসতাম বা চন্দন অফিসের কাজে দুর্গাপুর যেত আমাদের দেখা হতো।
দমদমের ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা ছেড়ে দেবার পরে চন্দন গীটার শিখবার জন্য আরেক বন্ধুর সাথে দক্ষিণ কলকাতার এক বিখ্যাত গীটারিস্টের কাছে ভর্তি হয়। এর পরের ঘটনা আমার বন্ধুর মুখ থেকে শোনা। দিনকয়েক পরে গীটারে চন্দনের পাকা হাতের পরিচয় পেয়ে সেই শিক্ষক জিঞ্জাসা করতে বাধ্য হন, ‘তুই এখানে কী শিখতে এসেছিস?’ আসলে সহজাত ক্ষমতায় চন্দন গীটারের হাত নিজে থেকেই এমন উচ্চতায় তুলে নিয়ে গেছিল যে শিক্ষকের আর কিছু শেখাবার ছিলনা। এর পরে সেই শিক্ষক অনেক সময়ে চন্দনকেই অন্যদের শেখানোর ভার দিয়ে নিজে অন্য কাজে চলে যেতেন। এর পরবর্তী জীবনে চন্দন নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ওনার সাথে যোগাযোগ কমে যায়।
চাকরি থেকে অবসর নিয়ে আমি কোলকাতায় ফিরে আসি। আর চন্দনের সঙ্গে আবার নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয়। তখন, চন্দন অন্য সব কাজ বন্ধ করে বাড়িতে স্কুলের ছাত্রদের পড়ানো শুরু করেছে। যাদের শিক্ষকতার সাথে যোগ আছে তারা নিশ্চয়ই জানেন, ঠিকমত পড়ানোর জন্য একজন শিক্ষকের কতখানি নিজের পড়াশোনা ও জ্ঞানের দরকার হয়। চন্দন একাদশ ক্লাশ পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্য ছাড়া আর অন্য সব বিষয়েই অনায়াসেই পড়াত। ওর ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই যেমন সুনামের সঙ্গে পরীক্ষায় সফল হয়েছে, সাথে সাথে চন্দনের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।
নানা বিষয়ে জ্ঞানের জন্য চন্দনের সাথে আমি অনেক বিষয় নিয়েই আলোচনা করতাম। মহাবিশ্ব থেকে ক্রিকেট খেলা – নানা বিষয়ে ওর উৎসাহ ছিল ও পড়াশোনা করত। আর এই জ্ঞানের পরিধি ও গভীরতা দেখে মাঝে মাঝে আমি অবাক হয়ে যেতাম। ওর এই জ্ঞানের ব্যাপ্তির জন্যই বোধহয়, যে কোনও বয়সের লোকের সাথে চন্দনের সহজেই মিশে যেতো।
চন্দন সাধারণভাবে ঈশ্বরের বিশ্বাসী ছিলনা। এ ব্যাপারে আমার সাথে বেশ কয়েকবার তার্কিক আলোচনা হয়েছে। তখন দেখেছি, ঈশ্বরের অস্তিত্ব ও প্রয়ো্জনীয়তা সম্বন্ধে ও পড়াশোনা করে এক ধারণা সৃষ্টি করেছে। আমার মনে হয়েছে, অধিকাংশ লোকের ঈশ্বরে বিশ্বাস বলতে নানা রকমের চাওয়াপাওয়ার জন্য পূজো ও প্রণাম – এই প্রথায় বা বিশ্বাসে চন্দনের আস্থা ছিলনা। অবশ্য সেই মত কখনও কারও উপর চাপিয়ে দেবার চেষ্টাও করতে দেখিনি। বরঞ্চ অন্যদের সাথে যুক্তি দিয়ে ধর্ম, ঈশ্বর, আত্মা, পরজন্ম ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করাই পছন্দ করত।
চন্দনের কথা বলতে গেলে ওর বাজনার কথা না বললে অন্যায় হবে। কয়েক বছর চন্দন কোনও অজ্ঞাত কারণে গীটার বাজানো বন্ধ রেখেছিল। আমাদের সৌভাগ্য সে নিজেই আবার গীটার ও মাউথ অর্গান বাজানো আরম্ভ করে। এ ব্যাপারে ওর নিখুত বাজানোর চেষ্টা আমার দেখবার সৌভাগ্য হয়েছিল। বেশ কয়েকটা গান আমার মত গানে অজ্ঞ ও বেরসিক লোককে শুনিয়ে কিছুটা হলেও আকৃষ্ট করে। চন্দনের গানের রেকর্ডগুলো ওর বাড়িতে ও বন্ধুবান্ধবদের কাছে এখনও আছে।
চন্দন নিজের আনন্দেই থাকতে ভালোবাসত। এ ব্যাপারে অবশ্য অস্বীকার করার উপায় নেই যে ওর স্ত্রী স্বপ্নার অবদানের জন্যই চন্দন জীবনকে খুব সহজ ভাবে নিতে পেরেছিল। অনেকে চন্দনকে ভালো ফুটবলার বলছে, কেউ বলে ভালো গীটার বাজায় ইত্যাদি। কিন্তু, যে কোনও একটি গুণের কথা দিয়ে ওকে বর্ণনা করতে গেলে অবিচার করা হয়। বন্ধুদের যে কোনও প্রয়োজনে চন্দন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত। আমি বলি সে ছিল অলরাউন্ডার। আমার ধারণা, চন্দন পড়াশোনার জগতে থাকলে হয়তো আর অনেক বেশী আনন্দ পেত।
নিয়তির নিয়মে সবাইকে একদিন চলে যেতে হবে। সবার ইচ্ছা থাকে যাবার আগে নিজের কর্তব্য ঠিকমত শেষ করে যাওয়া। চন্দনও স্ত্রী ও ছেলের জন্য সকল কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করেছে। এখন তার অনুপস্থিতি সবাই ভীষণ ভাবে অনুভব করছি।
চন্দনের অভাব আমার জীবনে এক বিরাট শূণ্যতা তৈরী করেছে। কোভিড আক্রান্ত গত দু বছরে আমাদের মুখোমুখি বেশী দেখা সাক্ষাত করা সম্ভব না হলেও মোবাইলের মাধ্যমে প্রায় প্রত্যেকদিনই আমাদের যোগাযোগ হত। আমি ও চন্দন একই সময়ে কোভিডে আক্রান্ত হলেও আমি সুস্থ হয়ে উঠি। কিন্তু, চন্দন কোভিডের কামড় কাটিয়ে উঠলেও সি.ও.পি.ডি.র আক্রমণের বিরূদ্ধে তিন সপ্তাহ হাসপাতালে যুদ্ধ করে চলে যাওয়া আমাদের সবাইকে খুব আঘাত করেছে। খবরটা পাওয়ার পর থেকে অব্যক্ত একটা কষ্টের অনুভূতি আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। তবে অমোঘ নিয়মে ও রবি ঠাকুরের ভাষায়:
আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে ॥
তবু প্রাণ নিত্যধারা, হাসে সূর্য চন্দ্র তারা,
বসন্ত নিকুঞ্জে আসে বিচিত্র রাগে ॥
তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে,
কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে।
নাহি ক্ষয়, নাহি শেষ, নাহি নাহি দৈন্যলেশ–
সেই পূর্ণতার পায়ে মন স্থান মাগে ॥
চন্দন এখন যেখানেই থাকুক শান্তিতে থাকুক। পরজন্ম আছে কী না জানিনা, যদি থাকে আবার যেন চন্দনকে বন্ধু হিসাবে পাই, এই প্রার্থনা করি।
একটি বিখ্যাত গানের কয়েকটি লাইন মনে এলো। Jacques Brel এই গানটি ১৯৬১ সালে ফ্রেঞ্চ গান “Le Moribond” নামে রেকর্ড করেন। এরপর Terry Jacks ১৯৭৪ সালে পরিবর্তন করে অনুবাদ করেন, Season In The Sun নাম দিয়ে। উনার কথায় a tribute to a close friend who was dying.
Goodbye my friend it’s hard to die.
When all the birds are singing in the sky
Now that the spring is in the air
Pretty girls are everywhere,
Think of me and I’ll be there.
We had joy we had fun,
We had seasons in the sun
But the wine and the song like the seasons,
Have all gone.
We had joy we had fun,
We had seasons in the sun
But the hills that we climbed were just seasons
Out of time……
*******






Add comment